দর্শন বিভাগের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬
আজ ১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার সকাল ১০:০০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে দর্শন বিভাগের ১ম বর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ, এম এ ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা এবং বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. নূরুজ্জামান।
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তবে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গবেষণাভিত্তিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাস্তব জীবনে সৎ ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে কিভাবে জীবনে উন্নতি লাভ করা যায় সেটি তিনি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে তুলে ধরেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, আগামীর বাংলাদেশের গতি-প্রকৃতি নির্ভর করছে বর্তমান প্রজন্মের উপর, তাই বর্তমান প্রজন্মকে প্রযুক্তিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষাও লাভ করতে হবে। কেননা মানুষ, প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি নৈতিক দায়িত্ব পালনের মধ্যে দিয়েই একটি টেকসই বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে উঠতে পারে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কলা অনুষদের ডিন দর্শন বিভাগের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দর্শন বিভাগ নিয়মিত একাডেমিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, গবেষণা সম্মেলন ইত্যাদির আয়োজন করে থাকে যা বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনে ভূমিকা পালন করে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন বিভাগের সম্মানিত অধ্যাপক ড. শাহ কাওসার মোস্তফা আবুলউলায়ি, নৈতিক উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক আবুল খায়ের মো. ইউনুস, নবীন শিক্ষার্থীদের কোর্স কো-অর্ডিনেটর সহকারী অধ্যাপক তাপসী রাবেয়া, ছাত্র উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক খন্দকার তোফায়েল আহমেদ এবং অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. নুরুজ্জামান।
বিভাগের ২৪জন মেধাবী ও কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে Professor Saiyed Abdul Hai Excellence in Philosophy Award, ড. গালিব আহসান খান স্মৃতি বৃত্তি এবং রওশন আরা বেগম স্মৃতি বৃত্তি প্রদান করা হয়। এরূপ মহতী উদ্যোগে বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠান শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।