পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফরমে আবেদনপত্র আহ্বান করা যাচ্ছে। প্রার্থীদেরকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের/ইনস্টিটিউটের শিক্ষকদের মধ্য থেকে তত্ত্বাবধায়ক নির্বাচন করে তাঁর/তাঁদের অধীনে এবং মাধ্যমে পিএইচডি গবেষণার আবেদন করতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (https://du.ac.bd) আবেদন ফরম ডাউনলোড করা যাবে। ভর্তি ফরমের ফিস বাবদ জনতা ব্যাংকে (ঢা বি, টি.এস.সি.শাখায়) ১০০০/-(এক হাজার) টাকা (অফেরৎ যোগ্য) জমা দিতে হবে। আবেদনপত্র স্পষ্ট করে লিখে/টাইপ করে যথাযথভাবে পূরণ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান/ইনস্টিটিউটের পরিচালকের অফিসে জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে ভর্তি ফরমের ফিস বাবদ জমাকৃত ১০০০/-(এক হাজার) টাকা জমার রশিদের মূলকপি, সকল পরীক্ষা পাশের নম্বরপত্র এবং সনদপত্রের ফটোকপি, সম্প্রতি তোলা ১ (এক) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি সংশ্লিষ্ট তত্ত্বাবধায়ক/বিভাগের চেয়ারম্যান/ ইনস্টিটিউটের পরিচালক কর্তৃক সত্যায়িত করে সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইনস্টিটিউটের অফিসে জমা দিতে হবে এবং গবেষণার একটি রূপরেখা (Synopsis) জমা দিতে হবে।
বিদেশ থেকে অর্জিত ডিগ্রীর সমতা নিরূপণ করার পর ভর্তির আবেদন করতে হবে।
ভর্তির শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতা:
এম.ফিল. পাশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতিত অন্য যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.ফিল. ডিগ্রীধারীদের আবেদনপত্র সংগ্রহের পূর্বে তাঁদের অর্জিত ডিগ্রীর সমতা নিরূপনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচ.ডি. ও এম.ফিল. ভর্তির যোগ্যতা যাচাই এবং সমতা নিরূপণ কমিটির আহ্বায়কের (ডিন, ফার্মেসী অনুষদ, মোকাররম হোসেন খন্দকার বিজ্ঞান ভবন সংলগ্ন) নিকট দরখাস্ত জমা দিতে হবে।
অথবা
৪ (চার) বছর মেয়াদি স্নাতক সম্মান ডিগ্রী এবং ১ (এক) বছর মেয়াদি মাস্টার্স ডিগ্রী। দেশের ভেতরে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রী থাকলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রোগ্রামে সরাসরি ভর্তি হওয়া যাবে না। পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হলে প্রথমে তাঁদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. ফিল. প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হবে ।
কলা/সামাজিক বিজ্ঞান/বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ক্ষেত্রে স্বীকৃতমানের জার্নালে প্রার্থীদের কমপক্ষে ২টি গবেষণামূলক প্রকাশিত প্রবন্ধ থাকতে হবে। অন্তত ১টি গবেষণামূলক প্রকাশনা একক নামে হতে হবে।
শিক্ষাজীবনে সকল পরীক্ষায় কমপক্ষে ২য় বিভাগ/শ্রেণীসহ ন্যূনতম ৫০% নম্বর থাকতে হবে। CGPA নিয়মে থাকলে মাধ্যমিক/সমমান থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত সকল পরীক্ষায় ঈএচঅ ৫-এর মধ্যে ৩.৫ অথবা CGPA ৪-এর মধ্যে ৩ থাকতে হবে। উল্লেখিত ন্যূনতম নম্বর বজায় রেখে সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইনস্টিটিউট/পিএইচডি উপ-কমিটি/অনুষদ নিজ নিজ ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করবে।
অথবা
৩ (তিন) বছর মেয়াদি স্নাতক সম্মান এবং এক বছর মেয়াদি মাস্টার্স ডিগ্রীপ্রাপ্তদের পিএইচডি প্রোগ্রামে রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতা থাকতে হবে:
ক) প্রার্থীদের শিক্ষাজীবনে সকল পরীক্ষায় কমপক্ষে ২য় বিভাগ/শ্রেণীসহ ন্যূনতম ৫০% নম্বর থাকতে হবে। CGPA নিয়মে থাকলে মাধ্যমিক/সমমান থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত সকল পরীক্ষায় CGPA ৫-এর মধ্যে ৩.৫ অথবা CGPA ৪-এর মধ্যে ৩ থাকতে হবে। এই ন্যূনতম ন¤¦র বজায় রেখে সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইনস্টিটিউট/পিএইচডি উপ-কমিটি/অনুষদ নিজ নিজ ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করবে। পিএইচডি প্রোগ্রামে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনের অন্যান্য যোগ্যতা ও শর্তাবলি প্রযোজ্য হবে।
খ) প্রার্থীদের স্নাতক পর্যায়ে কোন স্বীকৃতমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে দুই বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে অথবা কোন স্বীকৃতমানের গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে দুই বছরের গবেষণা সংক্রান্ত কাজের অভিজ্ঞতা অথবা সরকারি/বেসরকারি/ স্বায়ত্তশাসিত/আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে দুই বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে
এবং
গ) স্বীকৃতমানের জার্নালে প্রার্থীদের কমপক্ষে ২টি গবেষণামূলক প্রকাশিত প্রবন্ধ থাকতে হবে। তবে কলা/সামাজিক বিজ্ঞান/বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ক্ষেত্রে অন্তত ১টি গবেষণা প্রকাশনা একক নামে হতে হবে।
অন্য বিষয়ে ডিগ্রীপ্রাপ্ত ছাত্র/ছাত্রী আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের অন্তর্গত বিভাগসমূহে সংশ্লিষ্ট বিভাগের একাডেমিক কমিটি এবং অনুষদীয় পিএইচডি উপ-কমিটির সুপারিশক্রমে ভর্তি হতে পারবে। এক্ষেত্রে সুপারভাইজারের পরামর্শে বিশেষ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম ৪ ক্রেডিটের ১টি কোর্সওয়ার্ক থাকবে।
ভর্তি প্রক্রিয়া: প্রার্থী কর্তৃক যথাযথভাবে পূরণের পর আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইনস্টিটিউটে জমা দিতে হবে। অতঃপর উক্ত ভর্তির আবেদন সংশ্লিষ্ট তত্ত্বাবধায়ক, বিভাগের/ইনস্টিটিউটের একাডেমিক কমিটি, পিএইচডি উপ-কমিটি ও অনুষদ সভা এবং বোর্ড অব এ্যাডভান্সড স্টাডিজ সুপারিশ করলে একাডেমিক পরিষদ পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করবে।
কলা/ সামাজিক বিজ্ঞান/ বিজনেস স্টাডিজ/ আইন/ চারুকলা/ বিজ্ঞান/ জীববিজ্ঞান/ ফার্মেসী/ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজী/ আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস এবং স্নাতকোত্তর চিকিৎসা বিজ্ঞান ও গবেষণা অনুষদের বিভাগসমূহে এবং ইনস্টিটিউটসমূহে পূর্ণকালীন সময়ের পিএইচডি গবেষকদের নিয়মিত কোর্স নিয়মানুযায়ী গবেষণায় যোগদানের তারিখ থেকে ৪ (চার) বছরের হবে এবং ১ (এক) বছরের ছুটি নিয়ে যোগদান করতে হবে। তাঁরা ২ (দুই) বছর পর থিসিস জমা দিতে পারবেন। বিভাগীয় পিএইচডি সাব-কমিটি প্রয়োজন মনে করলে কোনো গবেষককে নিয়মানুযায়ী কোর্সওয়ার্ক করার শর্তারোপ করতে পারবে।
কলা/ সামাজিক বিজ্ঞান/ বিজনেস স্টাডিজ/ আইন/ চারুকলা/ বিজ্ঞান/ জীববিজ্ঞান/ ফার্মেসী/ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজী/ আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের বিভাগসমূহে এবং ইনস্টিটিউটসমূহে খ-কালীন পিএইচডি প্রোগ্রামের ব্যবস্থা থাকবে। খ-কালীন পিএইচডি প্রোগ্রামে রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ হবে গবেষণায় যোগদানের তারিখ থেকে ৫ (পাঁচ) বছর। ৪ (চার) বছর পরে গবেষক থিসিস জমা দিতে পারবেন। তবে কোনো গবেষক যদি তিন বছর শেষে কাজ স¤পন্ন করে থিসিস জমা দিতে চান তাহলে তত্ত্বাবধায়ক এবং বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সুপারিশসহ একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নিয়ে বিশেষ বিবেচনায় থিসিস জমা দিতে পারবেন। বিভাগীয় পিএইচডি সাব-কমিটি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) প্রয়োজন মনে করলে কোনো গবেষককে নিয়মানুযায়ী কোর্সওয়ার্ক করার শর্তারোপ করতে পারবে।
বিজ্ঞান/জীববিজ্ঞান/ফার্মেসী/ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজী/আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ও আইন অনুষদ এবং ইনস্টিটিউটসমূহে ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য কোর্স বাধ্যতামূলক হবে। কোর্সের সকল বিষয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের ৩৩৮ নং কক্ষ থেকে জানা যাবে।
পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির অনুমতিপত্র পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে ভর্তির ফিস জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ে ভর্তির ফিস জমা না দিলে নিয়ামানুযায়ী প্রতি দিনের জন্য ৫০(পঞ্চাশ) টাকা হারে বিলম্ব ফি দিতে হবে। থিসিস জমা না হওয়া পর্যন্ত প্রতি বছর একই সময় রেজিস্ট্রেশন ফিস জমা দিতে হবে। সময়মত রেজিস্ট্রেশন ফিস জমা না দিলে নিয়মানুযায়ী ধার্যকৃত বিলম্ব ফিস প্রদান করতে হবে।
-২-
এম.ফিল. থেকে পিএইচডি প্রোগ্রামে স্থানান্তর: যে সকল প্রার্থী এম.ফিল. ১ম বর্ষের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন এবং ২য় বর্ষের মধ্যে আবেদন করেছেন তাঁদেরকে (ফলাফল প্রকাশের তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে) গবেষণায় সন্তোষজনক অগ্রগতির ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়কের সুপারিশসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় একাডেমিক কমিটি, পিএইচডি উপ-কমিটি, অনুষদ সভার সুপারিশ এবং বোর্ড অব এ্যাডভান্সড স্টাডিজ ও একাডেমিক পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে এম.ফিল. থেকে পিএইচডি প্রোগ্রামে স্থানান্তর করা যাবে। এক্ষেত্রে প্রার্থীকে সরাসরি পিএইচ.ডি প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদন করার ন্যূনতম যোগ্যতার শর্তপূরণ করতে হবে।
ছুটি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিরত ভর্তিচ্ছু প্রার্থী ব্যতিত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত প্রার্থীদের নিয়োগকর্তার নিকট থেকে কমপক্ষে ১ (এক) বছরের ছুটি নিয়ে পূর্ণকালীন পিএইচডি প্রোগ্রামে যোগদান করতে হবে। তবে তত্ত্বাবধায়ক ও বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে একাডেমিক পরিষদ সভার অনুমোদনক্রমে ছুটির বিষয়টি শিথিল করা যেতে পারে। উল্লেখ্য, চাকরিরত এম.ফিল. ডিগ্রীধারী অথবা এম.ফিল থেকে পিএইচডি প্রোগ্রামে স্থানান্তরিতদের ছুটি নেওয়া আবশ্যিক নয়, তবে কর্মক্ষেত্রের নিয়োগকর্তার নিকট থেকে অনুমতি নিয়ে পিএইচডি প্রোগ্রামে যোগদান করতে হবে। খ-কালীন পিএইচডি প্রোগ্রাম এর ক্ষেত্রে ছুটি নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। তবে নিয়োগকর্তার অনুমতি নিতে হবে।
বৃত্তি: প্রতি শিক্ষাবর্ষে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে মেধার ভিত্তিতে মোট ৩০(ত্রিশ) টি বৃত্তি (মাসিক ভিত্তিতে) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত হারে মঞ্জুর করা হবে। তবে গবেষক চাকরিরত থাকলে অথবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠান থেকে বৃত্তি/আর্থিক সহযোগিতা পেলে এ বৃত্তি ভোগ করার যোগ্য বিবেচিত হবে না। ২য় বর্ষে এই বৃত্তি নবায়নের ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়াও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে ও ট্রাস্টের অর্থায়নে আরও দুইটি বৃত্তি মঞ্জুর করা হবে।
ফিস ও অন্যান্য আর্থিক বিষয়: পিএইচডি প্রোগ্রামের অনুমোদিত ফিস এবং অন্যান্য ফিসের বিষয় হিসাব পরিচালকের অফিস থেকে জানা যাবে।
আবেদনকারী যে হলের ছাত্র/ছাত্রী হিসেবে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হতে ইচ্ছুক সে হলের প্রাধ্যক্ষের স্বাক্ষর নেওয়ার পর আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট বিভাগে/ইনস্টিটিউটে জমা দিতে হবে। উল্লেখ্য যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ছাত্র/ছাত্রী যে হল থেকে এম.ফিল. অথবা ¯œাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেছেন সে হলে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবেন না।
একজন তত্ত্বাবধায়ক এম.ফিল. ও পিএইচডি প্রোগ্রামে দুটো মিলিয়ে এক সাথে সর্বমোট (পূর্বাপর) অনধিক এককভাবে ৮(আট) জন অথবা যৌথভাবে ১০(দশ) জন গবেষকের তত্ত্বাবধায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক পিএইচডি/এম.ফিল. করবেন তাঁদেরকে উল্লেখিত গবেষক সংখ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
এম.ফিল. ও পিএইচডি প্রোগ্রামে নতুন ভর্তির আবেদনের ক্ষেত্রে বিভাগে কর্মরত অধ্যাপক/ সহযোগী অধ্যাপক/ পিএইচডি ডিগ্রিধারী সহকারী অধ্যাপক তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বিশ^বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক দেশের ভিতরে অথবা বাইরে দীর্ঘমেয়াদী ছুটিতে/ ডেপুটেশনে/ অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে/ অবসরে গেলে যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এম.ফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম চলাকালীন কোন তত্ত্বাবধায়ক শিক্ষক দেশের ভিতরে অথবা বাইরে দীর্ঘমেয়াদী ছুটিতে/ ডেপুটেশনে/ অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে/ অবসরে গেলে যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কিংবা বিশেষক্ষেত্রে বিভাগীয় কোন একজন শিক্ষককে যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োগ করতে হবে।
সেমিনার বক্তৃতা ও থিসিস জমা :
(ক) পিএইচডি/ডিবিএ প্রোগ্রামের গবেষকদের থিসিস জমা দেয়ার পূর্বে বিভাগ/ইনস্টিটিউটের একাডেমিক কমিটির ব্যবস্থাপনায় ন্যূনতম ২টি উন্মুক্ত সেমিনারের আয়োজন করতে হবে। এর একটিতে গবেষণা প্রস্তাবনা; আর অন্যটিতে গবেষণালব্ধ ফলাফল নিয়ে গবেষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন। পিএইচডি/ডিবিএ-এর গবেষক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞসহ অনুষদ/ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে এই সেমিনারের আয়োজন করতে হবে। থিসিস জমা দেওয়ার সময় গবেষককে উল্লেখিত দুইটি সেমিনার আয়োজনের প্রমাণপত্র থিসিসের সাথে জমা দিতে হবে।
(খ) থিসিস জমা দেয়ার পূর্বে তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বীকৃতমানের জার্নালে (Peer-reviewed Indexed Journal) একক অথবা 1st author/corresponding author হিসেবে অন্তত ০১(এক) টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হতে হবে। Predatory Journal, Conference Proceedings, Book Chapter গৃহীত হবে না। প্রকাশিত প্রবন্ধ থিসিস-এর সাথে জমা দিতে হবে। থিসিস জমা দেওয়ার অন্যান্য বিষয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের ৩৩৮ নং কক্ষ থেকে জানা যাবে।
এই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত যোগ্যতা ও শর্তপূরণকারীগণই পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। কোন তথ্য গোপন করলে বা ভুল তথ্য দিলে ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে।
স্বাক্ষরিত/-
মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ
রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়