চীন সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় ২শ’ ৪৪ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শিগগিরই শুরু হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস এবং নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ি ভেঙ্গে ঐ স্থানে হলটি নির্মাণ করা হবে। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ প্রকল্পের Minutes of Meeting (MoM) গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রবিবার স্বাক্ষর করা হয়। পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষে অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) ড. সরদার মোহাম্মদ কেরামত আলী এবং চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সি (CIDCA)- এর ভাইস চেয়ারম্যান লুই জুনফেং (Liu Junfeng) এই MoM-এ স্বাক্ষর করেন। এসময় ইআরডি সচিব এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন।
পরে চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সি -এর ভাইস চেয়ারম্যান লুই জুনফেং-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল হল নির্মাণ প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন করেন। এসময় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ জাবেদ আলম মৃধা উপস্থিত ছিলেন।
চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সি -এর ভাইস চেয়ারম্যান চলতি বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হলের ড্রয়িং-ডিজাইন-সহ ফিজিবিলিটি স্টাডি শেষ করবেন বলে আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ১ হাজার ৫শ’ ছাত্রীর আবাসনের ব্যবস্থা হবে।

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
পরিচালক
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।