ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম গতিশীল করা, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়ন, বিভিন্ন সংকট নিরসন, সহশিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম জোরদার এবং আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানকে আরও সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত এ সপ্তাহের বিভিন্ন উদ্যোগের হালনাগাদ তথ্য পরিবেশিত হলো:
১। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের জরুরি সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাম্প্রতিক ভূমিকম্প ও তৎপরবর্তী ঝাঁকুনি (Aftershock)-এর কারণে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক আঘাতের বিষয়টি বিবেচনা করে ও তাদের সার্বিক নিরাপত্তার দিক সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ যথারীতি খোলা থাকবে। ভূমিকম্প পরবর্তী আবাসিক হল/হোস্টেলসমূহের পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সামগ্রিক ঝুঁকি মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
২। ভূমিকম্প পরবর্তী বিভিন্ন আবাসিক হল ও ভবনের কারিগরি নিরীক্ষণ, মূল্যায়ন ও মনিটরিংয়ের জন্য বুয়েটের বিশেষজ্ঞ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত কারিগরি সাব-কমিটির বিভিন্ন হল ও হোস্টেল পরিদর্শন অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, ভূমিকম্প পরবর্তী বিভিন্ন আবাসিক হল ও ভবনের কারিগরি নিরীক্ষণ, মূল্যায়ন ও মনিটরিংয়ের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষকে সভাপতি করে সেন্ট্রাল কো-অর্ডিনেশন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেন্ট্রাল কো-অর্ডিনেশন কমিটির অধীনে ৪টি সাব-কমিটিও গঠন করা হয়েছে। বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত এসব সাব-কমিটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে আবাসিক হল ও ভবনসমূহ পরিদর্শন, কারিগরি নিরীক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম সমাপ্ত করবে। পরিদর্শন শেষে কারিগরি মূল্যায়ন প্রতিবেদন সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এসংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকৌশল দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট হলে সংরক্ষিত থাকবে। কারিগরি মূল্যায়নে ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় চিহ্নিত হলে শিক্ষার্থীদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
সাব-কমিটিতে বুয়েটের বিশেষজ্ঞ, সংশ্লিষ্ট হল প্রাধ্যক্ষ, ওয়ার্ডেন, আবাসিক শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী এবং ডাকসু ও হল সংসদের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, উপাচার্যের সভাপতিত্বে এক সভায় বুয়েটের Bureau of Research, Testing and Consultation (BRTC) প্রণীত ২০০৮ ও ২০১৫ সালের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের অবকাঠামোগত ‘প্রকৌশল কারিগরি মূল্যায়ন প্রতিবেদন’ পর্যালোচনা করা হয়। এসব প্রতিবেদনে হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলকে বসবাসের উপযোগী বলে নিশ্চিত করা হয়েছিল। বুয়েট বিশেষজ্ঞের পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে হলটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণার যে খবর ছড়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও গুজব বলে সভায় অভিমত প্রকাশ করা হয়।
সভায় জানানো হয় ১৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন সমূহের মেরামত ও সংস্কার প্রকল্পের কাজ আগামী ডিসেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু হবে। এরসঙ্গে হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে চলমান ১৭৫টি রুমের সংস্কার কাজও অব্যাহত থাকবে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হবে।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলেছে। ২হাজার ৮শ’ ৪১ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় সম্বলিত এই প্রকল্প বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। ৫ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের প্রথম অর্থ বছরের জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (ADP) ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদানের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মতি পাওয়া গেছে। প্রথম ধাপে ছাত্রী ও ছাত্রদের হল নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় ৩১টি ভবনের স্থাপত্য (Architectural) ও কাঠামোগত (Structural) ডিজাইনের পরামর্শক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের জন্য ২৪ নভেম্বর থেকে পর্যায়ক্রমে ই-জিপি (e-GP) পোর্টাল এবং জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ শুরু হয়েছে।
ইতোমধ্যে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (Annual Procurement Plan - APP) ইতোমধ্যেই ই-জিপি (e-GP) পোর্টালে প্রকাশ করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিট (PMU) সরকারি ক্রয় আইন (PPR), আর্থিক বিধিমালা এবং পরিকল্পনা নির্দেশিকা অনুসরণ করে প্রকল্পের কাজ দ্রুত দৃশ্যমান করতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ০৫ বছর মেয়াদি প্রকল্পের কাজ ২০৩০ এর মধ্যে শেষ হবে। এই প্রকল্পের অধীনে ৬টি একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ২৬০০ জন ছাত্রীর জন্য ৪টি আবাসিক হল নির্মাণ, ৫১০০ জন ছাত্রের জন্য ৫টি আবাসিক হল নির্মাণ, ৫টি ছাত্র হলের জন্য এবং ৪টি ছাত্রী হলের জন্য হাউজ টিউটর আবাসন সুবিধা তৈরি, শিক্ষক ও অফিসারদের জন্য ২টি আবাসিক ভবন নির্মাণ, ৫টি অন্যান্য ভবন (প্রশাসনিক ভবনসহ) নির্মাণ, ৪টি জলাধার সংস্কার এবং সৌন্দর্যবর্ধন, বিদ্যমান সার্ভিস লাইন মেরামত/সংস্কার, ১টি খেলার মাঠ উন্নয়ন, ২টি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ এবং ড্রেনেজ সিস্টেম ও ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট করা হবে।
আগামী মার্চ মাসে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
৩। সার্চ কমিটির মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর গবেষণা কেন্দ্রসমূহে বিশেষায়িত উপায়ে পরিচালক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট অনুষদের বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক নিয়োগের লক্ষ্যে গঠিত ৫ সদস্য বিশিষ্ট সার্চ কমিটির সুপারিশ ও প্রতিবেদন উপাচার্যের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. লায়লা নূর ইসলাম এই প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।
সার্চ কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিজ্ঞান অনুষদ, জীববিজ্ঞান অনুষদ, ফার্মেসী অনুষদ, আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের অধীনে মোট ১৫টি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। প্রতিবেদনে প্রত্যেক কেন্দ্রের জন্য ৩জন করে শিক্ষকের নাম সুপারিশ করে ১৫টি প্যানেল উপস্থাপন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের জন্য প্রস্তাবিত ৩ জনের প্যানেল থেকে উপাচার্য ১জনকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ করবেন।
৪। ঢাকাস্থ ফিলিস্তিন দূতাবাসের ডেপুটি হেড অফ মিশন মি. জিয়াদ এম. এইচ. হামাদ উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনের শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও বৃত্তি প্রদানের বিষয়ে মতবিনিময় করেন। কূটনীতিক ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও টিউশন ফি মওকুফের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন। উপাচার্য এক্ষেত্রে সম্ভাব্য সকল সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
৫। জাপানের Kagawa University এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি Collaborative Research Agreement (CRA) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আওতায় উভয় বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে প্রজেক্ট/গবেষণাকার্য পরিচালনা এবং গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করবে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পটির অধীনে এম.এস. এবং পিএইচডি শিক্ষার্থীরা গবেষণাকার্য পরিচালনার সুযোগ পাবে।
৬। আগামী ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ রবিবার শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস এবং আগামী ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। উপাচার্যের সভাপতিত্বে এক সভায় এসব কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়।
শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে: ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ রবিবার সকাল ৬টা ২০মিনিটে উপাচার্য ভবনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভবনসমূহে কালো পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে ৬টায় অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে জমায়েত, সকাল ৬ টা ৩৫ মিনিটে উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণস্থ কবরস্থান, জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণস্থ স্মৃতিসৌধ ও বিভিন্ন আবাসিক এলাকার স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ। এরপর মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ও রায়ের বাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের উদ্দেশ্যে যাত্রা। সকাল সোয়া ১১টায় উপাচার্যের সভাপতিত্বে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া, বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিয়াসহ বিভিন্ন হল মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফেরাত এবং শান্তি কামনায় দোয়া/প্রার্থনা করা হবে।
মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে: ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার সকাল ৬.২০ মিনিটে উপাচার্য ভবনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে ৬টায় উপাচার্য ভবন সংলগ্ন স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে জমায়েত এবং সকাল ৬ টা ৩৫ মিনিটে উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণের উদ্দেশ্যে যাত্রা।
সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ, নৃত্যকলা বিভাগ এবং থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের যৌথ ব্যবস্থাপনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিয়াসহ বিভিন্ন হল এবং আবাসিক এলাকার মসজিদে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং দেশের সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য উপাসনালয়ে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে কলা ভবন, কার্জন হল, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র ও স্মৃতি চিরন্তনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা হবে।
৭। বিজ্ঞান-সংশ্লিষ্ট অনুষদসমূহ ও বিভাগে গবেষণার জন্য Atomic Force Microscope আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে তুরস্কের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থা (টিকা)। উপাচার্যের অফিস সংলগ্ন সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যন্ত্রটি হস্তান্তর করা হয়। কোষাধ্যক্ষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রধান অতিথি এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
৮। শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে সফটওয়্যার বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং দুবাই ভিত্তিক আন্তর্জাতিক কোম্পানি ওডু মিডল ইস্ট ডিডব্লিউসি-এলএলসি (Odoo Middle East DWC-LLC) এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ এবং ওডু মিডল ইস্ট ডিডব্লিউসি-এলএলসি’র হেড অব এডুকেশন মি. কেভিন ফারাহ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ওডু মিডল ইস্ট ডিডব্লিউসি-এলএলসি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের শিক্ষার্থীদের সফটওয়্যার বিষয়ে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করবে। এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন করবে। এর আগে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ওডু বিষয়ে অনলাইনে বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
৯। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র মধ্যে Co-Branded Card শীর্ষক এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রধান অতিথি এবং পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
১০। স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট এবং রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের লক্ষ্যে প্রায় ১ কোটি টাকার পৃথক দু’টি নতুন ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে। ‘নুরুন নাহার স্মৃতি ট্রাস্ট ফান্ড’ এবং ‘কে. এম. এ. মালিক ট্রাস্ট ফান্ড’ শীর্ষক ট্রাস্ট ফান্ডের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. শামসুদ্দিন আহমদ প্রয়াত স্ত্রী নুরুন নাহারের স্মৃতি রক্ষার্থে ৮৯ লাখ টাকার একটি চেক কোষাধ্যক্ষের কাছে হস্তাস্তর করেন। এছাড়া, ‘কে. এম. এ. মালিক ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠনের লক্ষ্যে পরিবারের পক্ষে ১০ লাখ টাকার একটি চেক কোষাধ্যক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন রসায়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ আলী মোল্লা। অনুষ্ঠানে আসেফা হক মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ফান্ডের মূলধন বৃদ্ধির লক্ষ্যে রসায়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ আলী মোল্লা পরিবারের পক্ষে ৩ লাখ টাকার পৃথক একটি চেক হস্তাস্তর করেন।
নুরুন নাহার স্মৃতি ট্রাস্ট ফান্ড-এর আয় থেকে প্রতিবছর কলা অনুষদভুক্ত প্রত্যেক বিভাগের এম.এ. শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্রীদের মধ্যে বি.এ. (সম্মান) পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী ছাত্রীকে মাসিক ৪ হাজার টাকা হারে বছরে মোট ৪৮ হাজার টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে।
কে. এম. এ. মালিক ট্রাস্ট ফান্ড-এর আয় থেকে রসায়ন বিভাগের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হবে। আসেফা হক মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ফান্ড-এর আয় থেকেও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বৃত্তি প্রদান করা হবে।
১১। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আবাসন সংকটের সমাধান কল্পে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। খুব শীঘ্রই নতুন হল নির্মাণ কাজ শুরু হবে এবং হল সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। নতুন হল নির্মাণ ও হল সংস্কারের সময়ে শিক্ষার্থীদের স্থানান্তরের জন্য বিকল্প আবাসন ব্যবস্থা খুঁজে বের করার ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল উত্তরা (দিয়াবাড়ি) আবাসন এলাকা পরিদর্শন করেছে। সম্ভাব্য সুযোগ-সুবিধা, নিরাপত্তা, যাতায়াত সুবিধা ও অবকাঠামোগত বিষয়সমূহ সরেজমিন পরিদর্শন করে তারা সম্ভাব্য ব্যবহারযোগ্যতা মূল্যায়ন করেন।
১২। ‘এমবিবিএস ও বিডিএস শিক্ষার মানোন্নয়ন’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপাচার্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজসমূহের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও প্রিন্সিপাল মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
১৩। কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে “Training of Trainers (ToT) on “Supply-chain Cybersecurity risk” under the B-TopCS Program” শীর্ষক ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি Japan International Cooperation Agency (JICA) এর উদ্যোগে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌথ সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হয়। এতে বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ শিক্ষক, বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগ ও বিভিন্ন সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আইটি বিষয়ক কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন।
১৪। সোশিওলজি কলোকিয়া অধ্যাপক নাজমুল করিম স্মরণে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
১৫। ড. মহানামব্রত ফাউন্ডেশন ফর পিস এন্ড সলিডারিটি-এর উদ্যোগে স্মারক বক্তৃতা, গুণীজন সম্মাননা ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সৌমেন্দ্র নাথ সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, কলা অনুষদের ডিন এবং বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।
১৬। ক) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিপ্লবী সাংস্কৃতিক ঐক্য ও ডাকসুর উদ্যোগে পহেলা অগ্রহায়ণ আদি নববর্ষ উৎসব উদ্্যাপন করা হয়। আদি নববর্ষ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ছিল রং তুলিতে নবান্ন, আদি নববর্ষ আনন্দ যাত্রা ও মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। খ) শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের তত্ত্বাবধানে ৯টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০জন শিক্ষার্থী ও শিল্পীর অংশগ্রহণে ২ দিনব্যাপী “আর্ট ফর ইক্যুয়ালিটি” শিরোনামে শিল্প কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের অর্থায়নে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়। গ) Institutional Quality Assurance Cell (IQAC)–এর উদ্যোগে ‘Morality, Integrity and Ethics in Academic and Professional Life’ শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
১৭। ক) সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ক্লাসরুমের ১টি মাল্টিমিডিয়া এবং ২টি সাউন্ড সিস্টেম সার্ভিসিং করা হয়েছে। খ) ছাত্রী কমন রুমে নতুন কার্পেট দেয়া হয়েছে এবং টয়লেটের পানির লাইন মেরামত করা হয়েছে। গ) নামাজ রুমে ২টি নতুন কার্পেট দেয়া হয়েছে। ঘ) অফিসের সিলিং ফ্যান এর ২টি ক্যাপাসিটর এবং ২টি বৈদ্যুতিক সুইচ পরিবর্তন করা হয়েছে।
১৮। ক) কবি জসীম উদ্দীন হলের করিডোর থেকে পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত জিনিসপত্র অপসারণ করা হয়েছে। এতে হলের করিডোরে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিতসহ সৌন্দর্যবর্ধন করা সম্ভব হয়েছে এবং মশার উপদ্রব কিছুটা লাঘব হয়েছে। খ) হলের বাগানে ইঁদুরের উপদ্রব রোধে নতুন মাটি ফেলে বাগান ভরাট করা হয়েছে। এছাড়া ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। গ) হলে তৃতীয় তলার রিডিং রুমে যাতায়াতের সুবিধার্থে প্রবেশ মুখের দরজায় ডোর ক্লোজার স্থাপন করা হয়েছে। ঘ) কবি জসীম উদ্দীন হলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে দক্ষিণ ভবনের চতুর্থ তলায় সিঁড়ির মুখে নতুন সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে।
১৯। ক) অমর একুশে হল সংসদের সাহিত্য বার্ষিকী একুশের বর্ণমালা (২য় সংখ্যা) এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। খ) অমর একুশে হল ইউনিট বাঁধনের উদ্যোগে নবীন বরণ ও রক্তদাতা সম্মাননা প্রদান করা হয়। গ) হলের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্রাইভেট ব্যাংকের বিভিন্ন সেবা নিয়ে ব্যাংকের প্রতিনিধিদল ৩দিনের ক্যাম্পিং কার্যক্রম পরিচালনা করে। ঘ) হলের শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে হল মসজিদ পাঠাগারে অতিরিক্ত ১টি বই রাখার তাক সরবরাহ করা হয়।
২০। ক) রোকেয়া হল সংসদের উদ্যোগে ৭মার্চ অডিটোরিয়ামে ২ দিনব্যাপী কালচারাল কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হয়। খ) হলের শাপলা ডাইনিং ক্যান্টিনের মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে।
২১। ক) বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে সিট প্রদানের কাজ চলমান রয়েছে। খ) হলে নিয়মিত মশার ওষুধ প্রদান করা হচ্ছে। গ) হলের বাগানে শীতকালীন ফুলের চারা রোপণ করা হয়েছে।
২২। সদাচরণ, ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিতি ও লেখাপড়ায় সন্তোষজনক অগ্রগতি সাপেক্ষে বিভিন্ন বিভাগের নিম্নোক্ত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে ঃ
ক)। ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৩জন শিক্ষার্থীকে মাসিক ৩০০/ টাকা হারে এম.এ খালেক এবং এ.এন.এইচ বারী ট্রাস্ট বৃত্তি প্রদান করা হবে। এক বছরের জন্য তারা এই বৃত্তি পাবে। শিক্ষার্থীরা হলেন : সাদিয়া জামান (ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স), রেশমা আক্তার (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) ও নুশরাত জাহান (উদ্ভিদবিজ্ঞান)।
খ) ম্যানেজমেন্ট এবং একাউন্টিং বিভাগের ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের ২জন শিক্ষার্থীকে এ.আর.হাওলাদার স্মারক বৃত্তি প্রদান করা হবে। তাদের মাসিক ৩০০/ টাকা হারে এক বছরের জন্য এই বৃত্তি প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীরা হলেন : ফারহানা ফয়সাল সততা ও মুসলিমা আক্তার আখি।
গ) দর্শন বিভাগের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বি. এস (সম্মান) শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রফেসর পেয়ারী আক্তার ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি প্রদান করা হবে। তাকে মাসিক ৪০০/- টাকা হারে এক বছরের জন্য এই বৃত্তি প্রদান করা হবে।
ঘ) ইতিহাস বিভাগের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের বি. এস (সম্মান) শ্রেণির শিক্ষার্থী ইয়া ইসলামকে শিউলি স্মৃতি ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি প্রদান করা হবে। তাকে এককালীন ৮,০০০/ টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে।
ঙ) ৪র্থ বর্ষ বি.এস.এস. (সম্মান) শ্রেণির ২জন শিক্ষার্থীকে ড. জালাল আলমগীর স্মৃতি বৃত্তি প্রদান করা হবে। তাদের এককালীন ২০,০০০/ টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীরা হলেন : মোঃ শামীম (অর্থনীতি), মোঃ শাহরিয়ার নাজিম সীমান্ত (রাষ্ট্রবিজ্ঞান)।
চ) জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি এবং ফার্মেসী বিভাগের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ২জন শিক্ষার্থীকে হুসেন আলী সরকার-জুলেখা খাতুন বৃত্তি প্রদান করা হবে। তাদের এককালীন ২০,০০০/ টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীরা হলেন : মোঃ মাহবুব হাসান রিয়াদ ও হাবিবুর রহমান।
ছ) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ২জন শিক্ষার্থীকে সেলিমা-এমাজউদ্দীন স্বর্ণপদক ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি প্রদান করা হবে। তাদের এককালীন ১২,০০০/ টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীরা হলেন : তিথি হালদার ও আল মুঈদ অভি।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২০২৩ ও ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের বি.এস.এস. (সম্মান) শ্রেণির ৪জন শিক্ষার্থীকে অধ্যাপক ড. মোঃ মোস্তফা চৌধুরী ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি প্রদান করা হবে। তাদের এককালীন ১২,০০০/ টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীরা হলেন : তাসফিয়া আহমেদ, সানজিদাহ্ সুলতানা, মোছাঃ আতিকা আক্তার ও আদিবা আজিজ।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বি.এস.এস. (সম্মান) শ্রেণির ৩জন শিক্ষার্থীকে গিয়াসউদ্দিন মোল্যা ও ফয়জুন্নেসা বেগম ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি প্রদান করা হবে। তাদের এককালীন ১২,০০০/ টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীরা হলেন: মোছাঃ রওশন আরা আক্তার, সাদিয়া আক্তার ও ইমতিয়াজ হোসেন।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের বি. এস. এস. (সম্মান) শ্রেণির ৩জন শিক্ষার্থীকে জননেতা আব্দুর রাজ্জাক স্মৃতি বৃত্তি প্রদান করা হবে। তাদের এককালীন ১২,০০০/ টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীরা হলেন: সাদিয়া সুলতানা, রাইদা ইকবাল রোদোসী ও ফাতেমা জান্নাত দিশা।
২৩। ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে ২০২৩ সনের বি.এস.(সম্মান) পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী ২জন শিক্ষার্থীকে এ. কিউ. এম. মহিউদ্দিন মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি প্রদান করা হবে। তাদের এককালীন ২৬,৩৭৭/- টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে । শিক্ষার্থীরা হলেন: জায়ান সাওসান জান্নাত ও সাদমান রাফিদ।
২৪। ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত ১৫০জন নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রীকে ‘আকিজ-মনোয়ারা শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট বৃত্তি’ প্রদান করা হবে। এই বৃত্তির জন্য ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফরমে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে। বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য ৫০০০/- হাজার টাকা করে প্রদান করা হবে। আবেদন ফরম রেজিস্ট্রার দফতরের ২০৭ (খ) নং কক্ষ অথবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.du.ac.bd) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি থেকে সংগ্রহ করা যাবে। আবেদন ফরম যথাযথভাবে পূরণ করে স্ব স্ব বিভাগীয় চেয়ারম্যান/ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং হল প্রাধ্যক্ষের স্বাক্ষর ও সীলসহ আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখের মধ্যে রেজিস্ট্রার দফতরের শিক্ষা-৫ শাখায় (কক্ষ নং-২০৭) জমা দেওয়ার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের কারণে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকায় আগামী ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত আবেদন ফর্ম গ্রহণ ও জমার সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
(মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম)
পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়